মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) কর্তৃক বাস্তবায়িত ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বিবরন

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) কর্তৃক বাস্তবায়িত ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বিবরন

 

  • বিশ্ব ব্যাংক সাহায্যপুষ্ট নির্মল বায়ু ও টেকসই পরিবেশ প্রকল্প (কেইস প্রকল্প) ১০০ কোটি ব্যয় সম্বলিত মোহাম্মদপুর এলাকায় ৩০.০০ কিঃমিঃ, তেজগাঁও এলাকায় ১৫.০০ কিঃ মিঃ এবং খিলগাঁও এলাকায় ১৩ কিঃ মিঃ রাসত্মা, ফুটপাথ ও সারফেস ড্রেন এর কাজ চলমান। এই প্রকল্পের আওতায় ৭.০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১ টি ইন্টারসেকশন উন্নয়নের কাজ চলমান। ট্রাফিক সিগন্যাল উন্নয়নের লক্ষে ১৮ টি ইন্টারসেকশনের যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আমদানীর জন্য এলসি খোলা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ৯টি ফুটওভার ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে এবং ৪ টি ফুটওভার ব্রিজের দরপত্র আহবান করা হয়েছে।
  • ওয়ার্ড নং ৪২ এবং মোহাম্মদপুর, আদাবর এলাকার জিওবি ও ডিএনসিসি অর্থায়নে ১৫২৭৫.৩০ লক্ষ টাকা ব্যয় সম্বলিত ৭১ টি কাজ সমাপ্ত।
  • জিওবি ও ডিএনসিসি অর্থায়নে রায়ের বাজার জাতীয় শহীদ স্মৃতি সৌধ সংলগ্ন কবরস্থান উন্নয়ন এবং বেড়ীবাধ থেকে মোহাম্মদপুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্রকল্প ২টি ভুমি অধিগ্রহনের কাজ চলমান।
  • ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নিজস্ব অর্থায়নে ২০১১-১২ অর্থ বছরে রাসত্মা, ফুটপাত ও সারফেস ড্রেন খাতে ১৬১১৫.২৪ লক্ষ টাকার ৩৫৪টি প্রকল্পের মাধ্যমে ১২২.৪৪ কিঃমি রাসত্মা, ৮৩.০৮ কিঃমিঃ নর্দমা (খোলা ও পাইপ) এবং ১৩.৩৩ কিঃমিঃ ফুটপাথ উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়ে ইতোমধ্যে ৯০% বেশি সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া নগরবাসীর অন্যান্য সেবা (যেমন পার্ক উন্নয়ন কমিউনিটি সেন্টার মেরামত/ উন্নয়ন, কবরস্থান উন্নয়ন, খেলার মাঠ উন্নয়ন, সুইপার কলোনী নির্মাণ) প্রদানের লক্ষে ৫০৩.৮৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১২ টি প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়।
  • সরকার ঘোষিত কৃষিজাত পন্য বাজার নিশ্চিৎ করণের লক্ষে জিওবি অর্থায়নে ৩১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা শহরে তিনটি (মহাখালী, আমিনবাজার ও যাত্রাবাড়ী) পাইকারী কাঁচাবাজর নির্মান প্রকল্প চলমান আছে যার মেয়াদ আগামী ২০১৩ সালে সমাপ্ত হবে। তিনটি পাইকারী কাঁচাবাজারের মধ্যে মহাখালী ও আমিনবাজার পাইকারী কাঁচাবাজার দুটি ডিএনসিসির আওতার্ভূক্ত।
  • মিরপুর গ্রামীন ব্যাংক হতে আগারগাঁও পর্যমত্ম সংযোগ সড়কটি ২৪০১৩.৫৪ লক্ষে টাকা ব্যয় সম্বলিত (জিওবি ও ডিসিসি) ৩.৩৬ কিঃ মিঃ সড়কের ১ম পর্যায়ের কাজ সমাপ্ত।
  • ঢাকা মহানগরীর ক্ষতিগ্রস্থ রাসত্মা, নর্দমা ও ফুটপাথ উন্নয়ন প্রকল্পে জিওবি ও ডিসিসি অর্থায়নে ২৬৬৭২.৭১ লক্ষ প্রকল্পটির ১ম পর্যায়ের কাজ সমাপ্ত হয়েছে।
  • নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে জিওবি ও ডিসিসি অর্থায়নে রাসত্মা, নর্দমা ও সারফেস ড্রেন, বক্স কালভার্ট ও কমিউনিটি সেন্টারের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
  • জাইকার সহায়তায় ২০১৫ খ্রিঃ পর্যমত্ম বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাস্টার পস্ন্যান তৈরী করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আমিনবাজারে পরিবেশ সম্মতভাবে সেনিটারী ল্যান্ডফিল নির্মাণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাস্টার পস্ন্যান বাসত্মবায়নের কার্যক্রম চলমান আছে।
  • নাগরিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ‘‘বিজ্ঞাপন ও বিউটিফিকেশন নীতিমালা-২০০৯’’ প্রণয়ন করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী সম্পূর্ন বেসরকারী বিনিয়োগে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকার রাসত্মার মিডিয়ান, আইল্যান্ড, পার্ক সবুজ, পরিবেশ বান্ধব ও সুন্দর করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাছাড়া নগরীর নিয়মিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের সাথে সাথে মশক নিয়ন্ত্রন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
  • যানজট নিরসনে বেসরকারী বিনিয়োগে গুলশান-২ (উত্তর ও দক্ষিণ) এবং ৬৪, কামাল আতার্তুক এভিনিউ, বনানীতে ০৩ (তিন) টি বহুতল বিশিষ্ট কার পার্কিং কাম কমার্শিয়াল কমপেস্নক্স নির্মানের পরিকল্পনা রয়েছে।
  • নগরসৌন্দর্য ও নাগরিকদের নিরাপত্তার দিক বিবেচনা করে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে স্থাপিত বিদ্যুৎ লাইন, টেলিফোন, ইন্টারনেট, ক্যাবলনেটওয়ার্ক সংযোগের ক্যাবল ও তার পরিকল্পিতভাবে মাটির নীচ দিয়ে স্থাপন ও বিন্যাসের কার্যক্রম চলমান আছে।
  • নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির জন্য ডিএনসিসি’র সকল অঞ্চলের হোল্ডিং ট্যাক্স অটোমেশনের আওতায় আনা হয়েছে। উলেস্নখ্য, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এবং নাগরিক সেবাকে জনগণের নিকট পৌঁছে দেয়ার জন্য আলোচ্য কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
  • তথ্য সমৃদ্ধ ডিএনসিসি’র সকল ওয়ার্ডের (৩৬ টি) জি.আই.এস. ম্যাপ তৈরী করা হয়েছে। বর্তমানে রাসত্মার বিসত্মারিত বিবরনসহ রোড কোড প্রদানের কার্যক্রম চলমান আছে।
  • বর্তমানে ডিএনসিসি’র সকল আঞ্চলিক অফিস হতে নগরবাসী অনলাইন ও ম্যানুয়াল উভয় পদ্ধতিতে বার্থ সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে পারছেন এবং সে মোতাবেক বার্থ সার্টিফিকেট ইস্যুর কার্যক্রম চলমান আছে।
  • আরবান প্রাইমারী হেলথ কেয়ার প্রজেক্টের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হচ্ছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ ও বস্তি বাসীদের জন্য স্বল্প মূল্যে এবং হত দরিদ্র জনগোষ্ঠির জন্য একেবারে বিনামূল্যে সেবা প্রদান করা হচ্ছে।