কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ এ ১০:৪৩ AM
কন্টেন্ট: পাতা
ক্রম | নদ-নদীর নাম | বর্ণনা | ছবি |
|---|---|---|---|
১ | বুড়িগঙ্গা নদী | ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এই নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৯ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৩০২ মিটার। প্রায় ৪০০ বছর আগে ঢাকা শহর এই নদীর তীরেই গড়ে ওঠে। এটি মূলত ধলেশ্বরী নদীর একটি শাখা। |
![]()
|
২ | তুরাগ নদ | দৈর্ঘ্য প্রায় ৬২ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৮২ মিটার। ঢাকা ও গাজীপুর জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মিরপুরের কাছে বুড়িগঙ্গার সাথে মিলিত হয়েছে। এর তীরে প্রতি বছর বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। |
![]()
|
৩ | ধলেশ্বরী নদী | দৈর্ঘ্য প্রায় ২৯২ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১৪৪ মিটার। যমুনা নদীর একটি শাখা, যা টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। |
![]()
|
৪ | বালু নদী | দৈর্ঘ্য প্রায় ৪৪ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৭৯ মিটার। গাজীপুর, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি সর্পিলাকার নদী। |
![]()
|
৫ | শীতলক্ষ্যা নদী | দৈর্ঘ্য প্রায় ১০৮ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ২২৮ মিটার। পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর একটি শাখা, যা নরসিংদী, গাজীপুর, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার সীমানা ঘেঁষে প্রবাহিত হয়েছে। |
![]()
|
৬ | বংশী নদী | দৈর্ঘ্য প্রায় ২৩৮ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৪৯ মিটার। জামালপুরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র থেকে উৎপন্ন হয়ে টাঙ্গাইল, গাজীপুর হয়ে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আমিনবাজারে তুরাগ নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। |
![]()
|
৭ | ইছামতি নদী | মানিকগঞ্জে যমুনা নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মুন্সীগঞ্জে পদ্মা নদীতে মিশেছে। নবাবগঞ্জের ঐতিহাসিক বান্দুরা অঞ্চল এই নদীর তীরে অবস্থিত। |
![]()
|
৮ | টঙ্গী নদী | টঙ্গী নদী (টঙ্গী খাল) বৃহত্তর ঢাকার উত্তরাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক জলধারা। তুরাগ ও বালু নদীর মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী এই জলপথ একসময় নৌযাতায়াত, স্থানীয় বাণিজ্য ও জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত। বর্তমানে এটি ঢাকার উত্তরাঞ্চলের পানি নিষ্কাশন ও জলপ্রবাহ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দখল, দূষণ ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে এর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশগত ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হলেও টঙ্গী খাল এখনও ঢাকার জলভূমি ও নদী ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত। | ![]() |
সোর্স: দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের তথ্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও উইকিপিডিয়ার তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে।
| |||