কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ এ ১১:৫৪ AM

ঢাকা জেলার ঐতিহ্য

কন্টেন্ট: পাতা

ক্রম

স্থান/স্থাপনার নাম

বর্ণনা

ছবি

লালবাগ কেল্লা

লালবাগ কেল্লা সপ্তদশ শতাব্দীতে মুঘল সুবাদার শাহজাদা মুহাম্মদ আজম শাহের উদ্যোগে নির্মাণ শুরু হওয়া একটি অসমাপ্ত মুঘল দুর্গ। পরবর্তীতে সুবাদার শায়েস্তা খানের সময় তাঁর কন্যা পরীবিবির অকালমৃত্যুর পর নির্মাণকাজ স্থগিত হয়ে যায়। দুর্গ চত্বরে পরীবিবির মাজার, দরবার হল, হাম্মামখানা ও একটি মসজিদ রয়েছে। পুরান ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত এই স্থাপনাটি ঢাকার মুঘল আমলের ইতিহাস ও স্থাপত্য ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।

আহসান মঞ্জিল

আহসান মঞ্জিল বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত ঢাকার নবাব পরিবারের ঐতিহাসিক বাসভবন ও দরবার গৃহ। উনিশ শতকে নির্মিত গোলাপি রঙের এই প্রাসাদটি নবাব আব্দুল গনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানউল্লাহর নামে নামকরণ করেন। বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং ঢাকার নবাবি আমল ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন।

বড় কাটরা

বড় কাটরা মুঘল আমলে সুবাদার শাহ সুজার দেওয়ান আবুল কাসেম কর্তৃক নির্মিত একটি বিশাল সরাইখানা বা অতিথিশালা। পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকায় অবস্থিত এটি তৎকালীন নগরজীবন ও যাতায়াতের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য নিদর্শন এবং মুঘল স্থাপত্যরীতির উল্লেখযোগ্য সাক্ষ্য।

ছোট কাটরা

বড় কাটরা মুঘল আমলে সুবাদার শাহ সুজার দেওয়ান আবুল কাসেম কর্তৃক নির্মিত একটি বিশাল সরাইখানা বা অতিথিশালা। পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকায় অবস্থিত এটি তৎকালীন নগরজীবন ও যাতায়াতের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য নিদর্শন এবং মুঘল স্থাপত্যরীতির উল্লেখযোগ্য সাক্ষ্য।

বায়তুল মোকাররম মসজিদ

বায়তুল মোকাররম বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ এবং ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক স্থাপনা। ১৯৬০-এর দশকে নির্মিত মসজিদটির স্থাপত্যশৈলীতে মক্কার কাবা শরিফের আদল অনুসরণ করা হয়েছে। একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে এবং এটি দেশের ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

ঢাকেশ্বরী মন্দির

ঢাকেশ্বরী মন্দির বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় হিন্দু মন্দিরগুলোর একটি। সেন রাজবংশের আমলে প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরটি দেবী দুর্গার একটি রূপ ঢাকেশ্বরীর পূজার জন্য বিখ্যাত। মন্দিরটির নামানুসারে ঢাকা শহরের নামকরণ হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। এটি হিন্দু সম্প্রদায়ের অত্যন্ত পবিত্র স্থান এবং ঢাকার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ।

তিন নেতার মাজার

তিন নেতার মাজারে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, খাজা নাজিমউদ্দিন ও এ. কে. ফজলুল হক সমাধিস্থ রয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার দোয়েল চত্বরের কাছে অবস্থিত এই স্থাপনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ স্মারক। এর স্থাপত্যশৈলীও উল্লেখযোগ্য।

হোসনি দালান

হোসনি দালান পুরান ঢাকায় অবস্থিত শিয়া সম্প্রদায়ের একটি ঐতিহাসিক ইমামবাড়া। সপ্তদশ শতাব্দীতে নির্মিত এই স্থাপনাটি মহররম মাসে তাজিয়া মিছিলের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি ঢাকার শিয়া মুসলিম ঐতিহ্য ও ধর্মীয় সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।

বাহাদুর শাহ পার্ক

বাহাদুর শাহ পার্ক পুরান ঢাকার একটি ঐতিহাসিক উদ্যান। ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের স্মরণে শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহের নামে এর নামকরণ করা হয়। ব্রিটিশ আমলে এটি ভিক্টোরিয়া পার্ক নামে পরিচিত ছিল এবং এখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে।

১০

জাতীয় স্মৃতিসৌধ

জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ। সপ্তস্তরবিশিষ্ট এই স্থাপনাটি স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেনের নকশায় নির্মিত। এটি জাতির শ্রদ্ধা নিবেদনের একটি প্রধান কেন্দ্র ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।

১১

সুপ্রীম কোর্ট

সুপ্রীম কোর্ট বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিচার বিভাগীয় প্রতিষ্ঠান। এর ভবনটি ব্রিটিশ আমলে নির্মিত হয়েছিল এবং পূর্বে ঢাকার সচিবালয় ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যিক গুরুত্বের পাশাপাশি এটি দেশের সর্বোচ্চ বিচারব্যবস্থার কেন্দ্র।

১২

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ। সপ্তস্তরবিশিষ্ট এই স্থাপনাটি স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেনের নকশায় নির্মিত। এটি জাতির শ্রদ্ধা নিবেদনের একটি প্রধান কেন্দ্র ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।

১৩

সংসদ ভবন

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি লুই আই কান-এর নকশায় নির্মিত। শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ভবনটি আধুনিক স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন এবং দেশের আইনসভার কার্যক্রম পরিচালনার কেন্দ্র।

১৪

কার্জন হল

কার্জন হল ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড কার্জনের নামে নামকরণকৃত একটি ঐতিহাসিক ভবন। বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে নির্মিত এই ভবনে মুঘল ও ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর মিশ্রণ রয়েছে। বর্তমানে এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

১৫

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঢাকার প্রধান রেলওয়ে স্টেশন। ১৯৬৮ সালে চালু হওয়া স্টেশনটি ছাতার মতো ছাদবিশিষ্ট অনন্য স্থাপত্যকাঠামোর জন্য বিখ্যাত। এটি বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ও ঢাকার পরিচিত ল্যান্ডমার্ক।

১৬

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর শাহবাগে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম জাদুঘর। এখানে ইতিহাস, সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত বিভিন্ন নিদর্শন সংরক্ষিত আছে। ১৯১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও ইতিহাস চর্চার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

১৭

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ মিরপুরে অবস্থিত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধ। এটি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আত্মত্যাগের স্মারক এবং প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে এখানে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

১৮

রমনা পার্ক

রমনা পার্ক ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত উদ্যান। মুঘল আমল থেকে ব্রিটিশ যুগ পর্যন্ত বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী এই স্থানটি ঢাকাবাসীর প্রধান বিনোদন ও প্রাতঃভ্রমণের স্থানগুলোর একটি এবং শহরের ‘ফুসফুস’ হিসেবে পরিচিত।

১৯

মুসা খান মসজিদ

মুসা খান মসজিদ ঢাকার অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক স্থাপনা। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের পশ্চিম পাশে, কার্জন হল এলাকার নিকটে অবস্থিত। মসজিদটি বাংলার ইতিহাসখ্যাত বারো ভূঁইয়াদের অন্যতম নেতা মসনদ-ই-আলা ঈসা খাঁর পুত্র মুসা খাঁর স্মৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। মসজিদের উত্তর-পূর্ব পাশে মুসা খাঁর সমাধিও রয়েছে। স্থাপত্যশৈলী বিশ্লেষণ করে গবেষকদের একটি অংশ মনে করেন, এটি সপ্তদশ শতকের শেষভাগ থেকে অষ্টাদশ শতকের শুরুর দিকে নির্মিত। ইতিহাসবিদ আহমদ হাসান দানী ও অন্যান্য গবেষকের মতে, মুসা খাঁর দৌহিত্র দেওয়ান মনোয়ার খান মসজিদটি নির্মাণ করে তাঁর পিতামহের স্মরণে এর নামকরণ করে থাকতে পারেন।

২০

গ্রিক স্মৃতি সৌধ

গ্রিক স্মৃতি সৌধ ঢাকার অন্যতম প্রাচীন ও ব্যতিক্রমধর্মী ঐতিহাসিক স্থাপনা। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (TSC) চত্বরে অবস্থিত। হলুদ রঙের ছোট এই সৌধটি দেখতে অনেকটা প্রাচীন গ্রিক মন্দিরের মতো হলেও এটি মূলত ঢাকায় বসবাসকারী গ্রিক সম্প্রদায়ের মৃত সদস্যদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত একটি স্মৃতিসৌধ বা সমাধি-স্মারক।

ক্রম

ঐতিহ্যবাহী খাবারের নাম

বর্ণনা

ছবি

হাজী বিরিয়ানি

পুরান ঢাকার নাজিরাবাজারে অবস্থিত প্রায় শত বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী বিরিয়ানির দোকান, যা ১৯৩৯ সালে হাজী মোহাম্মদ হোসেন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়। খাসির মাংস, সুগন্ধি চিনিগুঁড়া চাল ও নির্দিষ্ট মসলার সংমিশ্রণে তৈরি এই বিরিয়ানির স্বাদ এবং রন্ধনপ্রণালী কয়েক প্রজন্ম ধরে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ঢাকাবাসীর কাছে এটি আভিজাত্য ও ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত এবং প্রতিদিন সীমিত পরিমাণে প্রস্তুত হওয়ায় দুপুরের মধ্যেই বিক্রি শেষ হয়ে যায়, যা এর জনপ্রিয়তার একটি বড় প্রমাণ।

নান্না বিরিয়ানি

পুরান ঢাকার লালবাগ ও বিভিন্ন শাখায় বিস্তৃত জনপ্রিয় বিরিয়ানির দোকান, যা মোরগ পোলাও ও কাচ্চি বিরিয়ানির জন্য বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ। প্রায় ষাটের দশক থেকে ব্যবসা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি ঘন মসলাদার ঝরঝরে পোলাওয়ের সঙ্গে নরম মাংসের সমন্বয়ে অনন্য স্বাদ তৈরি করে, যা সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছে সমান জনপ্রিয়। এর সাশ্রয়ী মূল্য ও সহজলভ্যতার কারণে এটি পুরান ঢাকার নিত্যদিনের খাদ্যতালিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

বিউটি লাচ্ছি

শাঁখারীবাজারে অবস্থিত প্রায় অর্ধশত বছরের পুরনো একটি বিখ্যাত লাচ্ছির দোকান, যা তার ঘন, মিষ্টি ও ঠান্ডা দইয়ের লাচ্ছির জন্য ঢাকাজুড়ে পরিচিত। বিশেষত গ্রীষ্মকালে ও পুরান ঢাকার সরু গলিতে হাঁটাহাঁটির পর এখানকার লাচ্ছি পান করা স্থানীয় ও পর্যটকদের কাছে একটি অভিজ্ঞতার মতো। দই, চিনি ও বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরি এই পানীয়টির স্বাদ ও ঘনত্ব একে অন্যান্য সাধারণ লাচ্ছি থেকে আলাদা করেছে।

বাকরখানি

পুরান ঢাকার একটি ঐতিহ্যবাহী শুকনো রুটিজাতীয় খাবার, যা ময়দা, ঘি ও সামান্য চিনি বা লবণ দিয়ে তৈরি করে চুলায় সেঁকা হয়। মুঘল আমল থেকে প্রচলিত এই খাবারটির নামকরণ নিয়ে বিভিন্ন কিংবদন্তি প্রচলিত আছে, যার মধ্যে নবাব-ঘরানার এক নারীর নামের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার গল্প উল্লেখযোগ্য। এটি সাধারণত চা বা দুধের সঙ্গে সকালের নাশতায় খাওয়া হয় এবং দীর্ঘদিন সংরক্ষণযোগ্য হওয়ায় পুরান ঢাকার ঘরে ঘরে এখনো এর কদর রয়েছে।

চকবাজারের ইফতার

রমজান মাসে পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকায় বসা শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ইফতার বাজার, যেখানে শতাধিক প্রকার ভাজাপোড়া ও বিশেষ খাবারের পসরা সাজানো হয়। এখানকার সবচেয়ে বিখ্যাত আইটেম 'বড় বাপের পোলাও খাই', যাতে মুরগি, গরু, খাসি, কবুতরসহ বিভিন্ন মাংস একসঙ্গে রান্না করা হয়। এছাড়াও শাহী জিলাপি, হালিম, বোরহানি, কাবাব ও নানা রকম মুখরোচক খাবারের সমাহারে এই বাজার প্রতি বছর রমজানে ঢাকাবাসীর কাছে একটি অন্যতম আকর্ষণীয় ঐতিহ্যে পরিণত হয়।

কাচ্চি বিরিয়ানি

খাসির মাংস, বাসমতি বা চিনিগুঁড়া চাল ও বিশেষ মসলার সংমিশ্রণে কাঁচা মাংস ও চাল একসঙ্গে দমে রান্না করে তৈরি এই বিরিয়ানি পুরান ঢাকার অন্যতম প্রধান পরিচিতি। বিয়ে, আকিকা ও যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে এই বিরিয়ানি অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। দীর্ঘ সময় ধরে দমে রান্নার ফলে মাংস ও চালের সুবাস একে অপরের সঙ্গে মিশে যে বিশেষ স্বাদ তৈরি হয়, তা পুরান ঢাকার রন্ধনশৈলীর একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত।

শাহী জিলাপি

সাধারণ জিলাপির তুলনায় আকারে অনেক বড় ও ভারী এই মিষ্টান্নটি পুরান ঢাকায় বিশেষভাবে রমজান মাসে তৈরি হয়। ময়দা, ডালের গুঁড়া ও বিশেষ মসলা দিয়ে তৈরি খামির তেলে ভেজে চিনির শিরায় ডুবিয়ে তৈরি করা হয় এই বিশাল আকৃতির জিলাপি, যার ওজন কখনো কখনো এক কেজিরও বেশি হয়ে থাকে। এটি ইফতারের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ এবং চকবাজারসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ লাইন ধরে এই জিলাপি কিনতে দেখা যায়।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন